স্বাধীনতা আমাদের প্রেরণার উৎস, গৌরবের স্মারক: ধর্ম উপদেষ্টা

- আপডেট সময় : ১২:২৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫ ১৬ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতা আমাদের প্রেরণার উৎস, গৌরবের স্মারক। আজ বুধবার সকালে রাজধানী বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে খতমে কুরআন, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। খালিদ হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ নামক এই ভূখন্ড পেয়েছি। একটি স্বাধীন পতাকা, ভূ-খন্ড ও রাষ্ট্র গঠন করতে পেরেছি।
স্বাধীনতার পর অর্ধশতাব্দী পার হয়েছে। আমরা হাটি-হাটি পা-পা করে এ দেশকে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছি। ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমাদের কিছু ভুল-ভ্রান্তি আছে, কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে। তারপরও আমরা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সাথে একই সময়ে বহুদেশ স্বাধীন হয়েছে, তারা বহুদূর এগিয়ে গেছে। আমরা সেই মাত্রায় ও আঙ্গিকে এগোতে পারিনি। সকলকে দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে হীনমন্যতায় ভোগার কোন কারণ নেই। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে, অবশ্যই এগিয়ে যেতে পারব।
আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব। দেশকে উন্নত করতে আগামী দিনে সৎ মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে খালিদ হোসেন বলেন, আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যারা দেশের সম্পদ লুট, নষ্ট ও পাচার করেছে তাদেরকে প্রত্যাখান করতে হবে। বাংলাদেশকে অপরূপ সুন্দর হিসেবে অভিহিত করে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশের মতো সুন্দর দেশ, রৌদ্রজ্বল আবহাওয়া ও সূর্যের তাপ পৃথিবীর বহু দেশে নেই। এদেশের মাটিও অত্যন্ত উর্বর। একটি গাছ রোপণের অল্প পরিচর্যা করলেই ফল পাওয়া যায়, ফুল ফুটে।
উপদেষ্টা স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং যুদ্ধাহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এর আগে, খালিদ হোসেন সকাল থেকে বিভিন্ন মাদ্রাসার শতাধিক শিক্ষার্থীর খতমে কুরআন কর্মসূচিতে অংশ নেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইফার দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. হারুনূর রশীদ। পরে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ফাউন্ডেশনে অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান, সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন, পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. বজলুর রশিদ ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী উপস্থিত ছিলেন।