ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না: শহীদ মুগ্ধর বাবা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫ ১৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনে গর্বিত শহীদ মীর মুগ্ধর বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, আহত ও শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না। তিনি বলেন, ‘হাজারো শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে বলছি, আমার মুগ্ধ জীবন দিয়েছে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে, ফ্যাসিবাদের বিদায় করতে। আহত, চোখ হারা, হাত-পা হারাদের অঙ্গহানির বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না। এমন নির্বাচনের জন্য আমাদের সন্তানরা জীবন দেয়নি।

বীরোচিত উত্তরায় জুলাই যোদ্ধা, আহত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আমার ঢাকা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আশরাফুল হক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজ উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন শহীদ জসিম উদ্দিনের মামা নাসির উদ্দীন, সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবির ইব্রাহিমের গর্বিত পিতা মো. কবীর হোসেন, শহীদ নাঈমা সুলতানার গর্বিত মা আইনুন নাহার, শহীদ রবিউল ইসলামের চাচা আহম্মদ সাঈদ, শহীদ সামিউ আমান নুরের গর্বিত পিতা মো. আমান উল্লাহ, শহীদ মো. সানজিদ হোসেন মৃধার গর্বিত পিতা মো. কবির হোসেন মৃধা।

ইফতার মাহফিলে মীর মুগ্ধর বাবা বলেন, আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা এখনো সুচিকিৎসা পায়নি এর আগে কীসের নির্বাচন। আগে বিচার, খুনীদের, গুমকারীদের বিচার হতে হবে। ইফতার মহফিলে গুরুতর আহত ও আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নোমান রেজা, ইকবাল হাসান, সাগর হাওলাদার, রবিন চৌধুরী, তানজিল রেজোয়ান, ওমর ইমু, মেহেদী আব্দুল্লাহ শাফি, শহীদ মোহাম্মদ আকাশ ব্যাপারির মেয়ে কণা আক্তার, শহীদ তাজুল ইসলামের মেয়ে জামাই মামুন।

গুরুতর আহত শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ আলী, তোজাম্মেল হক সোহাগ, ইখতিয়ার উদ্দিন সরকার, হাফেজ মাওলানা আমিনুল হক, গুলিবিদ্ধ মো. আল-আমিন, এসএম আরিফুল ইসলাম, মো. আলী আকবর, তুষার প্রামানিক, একেএম ওবায়দুল হক, শাহরিয়ার মান্নান আরিফ, শহীদ ফরহাদ মিয়ার ছেলে সামিদ, শহীদ মনির হোসেনের বড় বোন সানজীদা, শহীদ আব্দুন নুরের গর্বিত পিতা আবুল বাসার, শহীদ জসিম উদ্দিনের বড় ভাই নুরুল ইসলাম, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীনের গর্বিত মা বিলকিছ জামাল, শহীদ আকাশ ব্যাপারীর পিতা আজিজ ব্যাপারী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক আবু মুসা, ছাত্রনেতা মাহমুদ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আমার ঢাকা ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব বারবার গুম হওয়া অধ্যাপক মো. কবীর উদ্দিন মিঠু। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠক শাহিদুর রহমান মোল্লা, কামরুল আহসান, আব্দুল্লাহ রেজা, আহসান হাবীব প্রমুখ। মাহফিলে অর্ধশত শহীদ পরিবারের সদস্য, প্রায় এক হাজার আহত, পঙ্গু এবং জুলাই যোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না: শহীদ মুগ্ধর বাবা

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

জুলাই আন্দোলনে গর্বিত শহীদ মীর মুগ্ধর বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, আহত ও শহীদদের হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না। তিনি বলেন, ‘হাজারো শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে বলছি, আমার মুগ্ধ জীবন দিয়েছে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে, ফ্যাসিবাদের বিদায় করতে। আহত, চোখ হারা, হাত-পা হারাদের অঙ্গহানির বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন চাই না। এমন নির্বাচনের জন্য আমাদের সন্তানরা জীবন দেয়নি।

বীরোচিত উত্তরায় জুলাই যোদ্ধা, আহত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আমার ঢাকা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আশরাফুল হক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজ উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন শহীদ জসিম উদ্দিনের মামা নাসির উদ্দীন, সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবির ইব্রাহিমের গর্বিত পিতা মো. কবীর হোসেন, শহীদ নাঈমা সুলতানার গর্বিত মা আইনুন নাহার, শহীদ রবিউল ইসলামের চাচা আহম্মদ সাঈদ, শহীদ সামিউ আমান নুরের গর্বিত পিতা মো. আমান উল্লাহ, শহীদ মো. সানজিদ হোসেন মৃধার গর্বিত পিতা মো. কবির হোসেন মৃধা।

ইফতার মাহফিলে মীর মুগ্ধর বাবা বলেন, আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা এখনো সুচিকিৎসা পায়নি এর আগে কীসের নির্বাচন। আগে বিচার, খুনীদের, গুমকারীদের বিচার হতে হবে। ইফতার মহফিলে গুরুতর আহত ও আন্দোলনকারী জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নোমান রেজা, ইকবাল হাসান, সাগর হাওলাদার, রবিন চৌধুরী, তানজিল রেজোয়ান, ওমর ইমু, মেহেদী আব্দুল্লাহ শাফি, শহীদ মোহাম্মদ আকাশ ব্যাপারির মেয়ে কণা আক্তার, শহীদ তাজুল ইসলামের মেয়ে জামাই মামুন।

গুরুতর আহত শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ আলী, তোজাম্মেল হক সোহাগ, ইখতিয়ার উদ্দিন সরকার, হাফেজ মাওলানা আমিনুল হক, গুলিবিদ্ধ মো. আল-আমিন, এসএম আরিফুল ইসলাম, মো. আলী আকবর, তুষার প্রামানিক, একেএম ওবায়দুল হক, শাহরিয়ার মান্নান আরিফ, শহীদ ফরহাদ মিয়ার ছেলে সামিদ, শহীদ মনির হোসেনের বড় বোন সানজীদা, শহীদ আব্দুন নুরের গর্বিত পিতা আবুল বাসার, শহীদ জসিম উদ্দিনের বড় ভাই নুরুল ইসলাম, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীনের গর্বিত মা বিলকিছ জামাল, শহীদ আকাশ ব্যাপারীর পিতা আজিজ ব্যাপারী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক আবু মুসা, ছাত্রনেতা মাহমুদ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আমার ঢাকা ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব বারবার গুম হওয়া অধ্যাপক মো. কবীর উদ্দিন মিঠু। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠক শাহিদুর রহমান মোল্লা, কামরুল আহসান, আব্দুল্লাহ রেজা, আহসান হাবীব প্রমুখ। মাহফিলে অর্ধশত শহীদ পরিবারের সদস্য, প্রায় এক হাজার আহত, পঙ্গু এবং জুলাই যোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।